মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের আশংকা

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের আশংকা সেনা অভ্যুত্থানের আশংকায় জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বেশ কিছু দূতাবাস থেকে মিয়ানমার সরকারকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার একাধিক বিবৃতিতে দেশটিকে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে আহ্বান জানায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।

যদিও মিয়ানমারের দাবি, ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে সেনা অভ্যুত্থানের গুজব ছড়িয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। শনিবার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা জানানো হয়। এসময় যেকোন পরিস্থিতিতে দেশকে রক্ষায় সেনাবাহিনী প্রস্তুত আছে বলে জানায় সেনাবাহিনী। দেশ সংবিধান ও আইন মেনে চলবে বলে নিশ্চিত করেছে মিয়ানমার সরকার।

২০১১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে অং সান সুচির সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে মিয়ানমারে প্রায় ৫০ বছরের সেনা শাসনের অবসান ঘটে। তবে গত বছরের নভেম্বরে সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আবারও বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বিভিন্ন মহল।

দেশটির সেনাবাহিনীর কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নতুন সরকারকে বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছে এমন খবর প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থানের আশংকা দেখা দেয়। এছাড়াও বুধবার ‘সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হলে সংবিধান বাতিল করা হতে পারে’ - এমন বক্তব্যে দেন মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জেনারেল মিন অং হেইং। দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে দেখা হয় এই সেনা কর্মকর্তাকে। তাই তার এমন বক্তব্যে সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়।

১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের নবনির্বাচিত সাংসদরা শপথগ্রহণ করবেন। এ উপলক্ষে রাজধানী নেপিদোতে জোরদার হয়েছে নিরাপত্তা। একইসঙ্গে বেড়েছে সরকার উৎখাতের আশংকা।

 

Post a Comment

0 Comments