Showing posts with label বিবিধ. Show all posts
Showing posts with label বিবিধ. Show all posts

Wednesday, November 4, 2020

উদ্বোধনের অপেক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধুর তর্জনী’

উদ্বোধনের অপেক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধুর তর্জনী’


ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের অবিনাশী স্মারক দেশের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র তর্জনী ভাস্কর্য ‘মুক্তির ডাক’-এর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ৪১ ফুট উঁচু ভাস্কর্যটি বিশে^র হাত ভাস্কর্যের মধ্যে উচ্চতার দিক থেকে তিনটির একটি। ১৩ মাস আগে শুরু করা ঐতিহাসিক এ ভাস্কর্যটির কাজ চলতি মাসেই উন্মুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে সর্ব সাধারণের জন্য। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওপর নরসিংদী শহরের প্রবেশমুখে সাহে-প্রতাপ মোড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তেজদীপ্ত তর্জনী নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটি উন্মোচনের অপেক্ষায় দিন গুনছে।
ভাস্কর অলি মাহমুদের বিশ^াস, এ তার্জনীর নিচে দাঁড়িয়ে গভীরভাবে উপলব্ধি করলে স্বীয় জাতি, ঐতিহ্য আর গৌরবময় সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি নিজের মধ্যে ভাসতে বাধ্য। চেতনায় দাঁড়িয়ে যাবে শরীরের লোম। ভাস্কর্যটির বেদির চারপাশে থাকবে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ’৬৬-এর ছয় দফা দাবি, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থ্যান, মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলো টেরাকোটার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। নানা ধরনের অত্যাধুনিক অপটিক্যাল ফাইবার, হোয়াইট সিমেন্ট, পাথরসহ নানা দ্রব্যাদি দিয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটি। লাইটিং, টাইলস, মার্বেল পাথরের বেদির ওপরে আছে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক তর্জনীটি। এমন তর্জনী ভাস্কর্য এ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোথাও দৃশ্যমান হয়নি। ইতোমধ্যে মূল ভাস্কর্যটির কাজ শেষ হয়ে গেছে। মূল বেদির চারপাশে নান্দনিক পানির ফোয়ারা নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও দ্রুতগতিতে ল্যান্ডস্কেপের কাজ চলছে। এর মধ্যে তর্জনী ভাস্কর্যটি দেখতে প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ভিড় জমাচ্ছে এই ঐতিহাসিক শিল্পকর্মটি দেখতে।
ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোক্তা নরসিংদী পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, বাঙালির প্রতি বঙ্গবন্ধুর ছিল অবিচল আস্থা, অগাধ বিশ^াস আর ভালোবাসা। এজন্যই তিনি শোষণ, বঞ্চনা ও পরাধীনতার শিকল ভেঙে মুক্তির স্বাদ এনে দিতে পেরেছেন। আঙুলের ইশারায় পুরো জাতিকে এক করে বজ্রকণ্ঠের ঘোষণায় ছিনিয়ে আনলেন স্বাধীনতা।
ভাস্কর্য নির্মাণ শিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তরুণ প্রজন্মের ভাস্কর অলি মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু মানেই শক্তি, উৎসাহ আর প্রেরণা। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। তার অসাধারণ বাগ্মিতা, মানবিকতা, মানুষের প্রতি সহমর্মিতার গুণেই তিনি চির অমলিন। তার ৭ই মার্চের ভাষণ আমাদের শিহরিত করে, অনুপ্রাণিত করে। তার উদার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও শোষণহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয় আমাদের উজ্জীবিত করে। এর আগে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে মাস্টারদা সূর্যসেনের আবক্ষ ভাস্কর্য, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভৈরবে এর আগে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ম্যুরাল বাংলার ঈগল, নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সেবাবৃত্ত, জাগ্রত জাতিসত্তা, লৌহজং উপজেলা কার্যালয়ের সামনে হিমালয়, রায়পুরা কলেজে মহানায়ক নামক শিল্পকর্ম নির্মাণ করে দারুণ প্রশংসিত হন এই তরুণ ভাস্কর।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর ইতিহাসে হাত নিয়ে যত শিল্পকর্ম হয়েছে উচ্চতার দিক দিয়ে এটি তিনটির একটি। আর শুধু একটি তর্জনীকে প্রতিপাদ্য করে নির্মাণ করা ভাস্কর্যের মধ্যে এটি সবচেয়ে উঁচু ভাস্কর্য বলে দাবি করছেন ভাস্কর অলি মাহমুদ। তর্জনী ভাস্কর্যটির সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল সাড়ে ৪২ লাখ টাকা।

Tuesday, November 3, 2020

মান্দার ফ্রেন্ড রেস্টুরেন্ট এ্যান্ড বিরিয়ানী হাউজে দিঘা'র জন্মদিন পালিত

মান্দার ফ্রেন্ড রেস্টুরেন্ট এ্যান্ড বিরিয়ানী হাউজে দিঘা'র জন্মদিন পালিত


 মাহবুবুজ্জামান সেতু,নওগাঁ প্রতিনিধিঃনওগাঁর মান্দায় দিঘা'র জন্মদিন পালিত হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টায় মান্দার ফ্রেন্ড রেন্টুরেন্ট এ্যান্ড বিরিয়ানী হাউজে অানুষ্ঠানিকভাবে কেক কেটে দিঘা'র শুভ জন্মদিন অনুষ্ঠান পালিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মান্দার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী হাবিবুর রহমান এবং শরিফুল ইসলাম,দিঘা'র মা তাসকিয়া অাক্তার নিসপা, বাবা এম.ডি অাবু যায়েদ দিনার,চাচা অাবু জোবায়েদ দিনার, ফুফু কামরুন নাহার,খালা নিলু,খালু অাব্দুল্যা অাল-মেহেদী হাসান মকুল, খালাতো বোন নাফিসা অাইমান অধি, খালাতো ভাই তাওমীদ, ফুফাতো ভাই রিফাত,রাফি, তন্ময় গোস্বামী, অাকিব জাওয়াদ চৌধুরী, সৈকত, রিমন,রিবন,জালাল এবং ফারুক প্রমূখ। যারিয়া তাইয়্যবা দিঘা (১০) মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা ইউ'পির বিজয়পুর গ্রামের অাবু যায়েদ দিনারের একমাত্র মেয়ে এবং প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানা গেছে। দিঘার জন্মদিন উপলক্ষে তার মা তাসকিয়া অাক্তার নিসপা, বাবা এম.ডি অাবু যায়েদ দিনার, তার নিকটতম আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, হিতাকাঙ্খি, শুভাকাঙ্খী এবং শুভানুধ্যায়ীরা তার জন্য সু-সাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুসহ উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করেন। দিঘা'র শুভ জন্মদিনে আমরা এই প্রত্যয় ব্যক্ত করছি যে ‘এমন জীবন করিবে গঠন মরনে হাসিবে তুমি কাদিবে ভূবন। শুভেচ্ছান্তে- দিঘা'র মা নিসপা এবং বাবা দিনার।

Monday, November 2, 2020

আদেশ জারি : সরকারি সেবাদান প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নিষেধ

আদেশ জারি : সরকারি সেবাদান প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নিষেধ


কোভিড-১৯-এর সংক্রমণের সম্ভাব্য সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলায় মুখে মাস্ক ছাড়া সরকারি সেবাদান প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে মুখে মাস্ক পরিধান ছাড়া সরকারি কোনো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করা যাবে না। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব, সচিব, দেশের ৮ বিভাগীয় কমিশনার, দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও দেশের সব ইউএনওর কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রমণের সম্ভাব্য সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলায় মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা, চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাপড়ের মাস্ক পরিধান করা, মাস্ক পরিধান বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সামনে দৃশ্যমান স্থানে ‘মাস্ক ব্যবহার ব্যতীত প্রবেশ নিষেধ বা ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি’ অথবা ‘মাস্ক পরিধান করুন, সেবা নিন’ বা ‘ওয়্যার মাস্ক গেট সার্ভিস’ লেখা ব্যানার স্থাপন করতে হবে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জারি করা পরিপত্রগুলোর নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়াও মাস্ক ছাড়া অফিস, আদালত, শপিং মল, বাজার, সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে না যাওয়া এবং কোনো সাহায্য, সহযোগিতা বা সার্ভিস না পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।

রেমিট্যান্স আয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম

রেমিট্যান্স আয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম

 

রেমিট্যান্স আয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি বছরে র‌েমিট্যান্স আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান সারা বিশ্বে অষ্টম। শীর্ষে অবস্থান ভারতের। এরপরেই চীন। 

করোনার বছরে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। চলতি ২০২০ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। শুক্রবার ওয়াশিংটন সদরদফতর থেকে ‘কোভিড-১৯ ক্রাইসিস থ্রু মাইগ্রেশন লেন্স’ শীর্ষক এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

মূলত প্রাতিষ্ঠানিক তথা ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পাওয়ায় কোভিডের মধ্যেও রেমিট্যান্স বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স আসবে প্রায় ২০ বিলিয়ন বা দুই হাজার কোটি ডলার। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী যা ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা এবং জিডিপির ৬ শতাংশের বেশি।

রেমিট্যান্স আয়ে সবার উপরে রয়েছে ভারত (৭৬ বিলিয়ন ডলার)। চীন এ তালিকায় দ্বিতীয় (৬০ বিলিয়ন ডলার) আর তৃতীয়তে আছে মেক্সিকো (৪১ বিলিয়ন ডলার)।

বাংলাদেশের আগে দক্ষিণ এশিয়ার অপর দেশ পাকিস্তানের অবস্থান ষষ্ঠ। বছর শেষে দেশটির রেমিট্যান্সের পরিমাণ হতে পারে ২৪ বিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশের চেয়ে চার বিলিয়ন ডলার বেশি।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, রেমিট্যান্সে প্রণোদনা, নিয়মকানুন সহজ করা ও করোনায় বিশ্বব্যাপী অবৈধ হুন্ডি বন্ধের ফলে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে।

গত ২০১৯-২০ অর্থবছের ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার সমপরিমাণ ১ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স এসেছে। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি।

গত মার্চে নিম্মমুখী প্রবণতা থাকলেও এর পর থেকে রেমিট্যান্স বাড়তে থাকে। চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৬৭১ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসে। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৯ শতাংশ বেশি। রেমিট্যান্সের শক্ত অবস্থানের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিশ্বব্যাংক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, এ বছর করোনার মধ্যেও দক্ষিণ এশিয়ার দুইটি দেশের রেমিট্যান্স বাড়বে, যার মধ্যে বাংলাদেশের বাড়বে আট শতাংশ।

পরিমাণের দিক থেকে ভারত শীর্ষে থাকলেও এ বছর দেশটির রেমিট্যান্স নয় শতাংশ কমবে। আর সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার রেমিট্যান্স কমবে চার শতাংশ। অবশ্য দক্ষিণ এশিয়ার আরেকটি দেশ পাকিস্তানের নয় শতাংশ বাড়বে।

বিশ্বব্যাংক বলেছে, ২০২০ সালে সামগ্রিকভাবে বিশ্বে রেমিট্যান্স কমবে সাত শতাংশ।

তবে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) অনুপাতে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স আহরণের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চতুর্থ, যা জিডিপির ছয় দশমিক দুই শতাংশ। এক্ষেত্রে প্রথমে রয়েছে নেপাল (২৩ শতাংশ), দ্বিতীয়তে পাকিস্তান (৯ দশমিক ১ শতাংশ) এবং তৃতীয়তে শ্রীলংকা (৮ দশমিক ২ শতাংশ)।

পুলিশ সদস্যরা জনতার পুলিশে পরিণত হবে : প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সদস্যরা জনতার পুলিশে পরিণত হবে : প্রধানমন্ত্রী

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, মুজিববর্ষে পুলিশ সদস্যরা জনতার পুলিশে পরিণত হবে। আমি আশা করি, মুজিববর্ষে নতুন স্পৃহা ও আদর্শে উদ্দীপ্ত হয়ে পুলিশ সদস্যগণ জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জনতার পুলিশে পরিণত হবে।

আগামীকাল শনিবার ‘কমিউনিটি পুলিশিং দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশ দেশ ও জাতির সেবায় প্রতিনিয়ত তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব একনিষ্ঠভাবে ও সাহসিকতার সঙ্গে পালন করছে।

জনগণ ও পুলিশের পারস্পরিক আস্থা, সমঝোতা ও শ্রদ্ধা কমিউনিটি পুলিশিং এর মূলকথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আধুনিক কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থাপনায় জনগণের সাথে প্রাণবন্ত সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামাজিক সমস্যাদির উৎস উদ্ঘাটনপূর্বক তা সমাধান ও অপরাধ ভীতি হ্রাস করে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী কমিউনিটি পুলিশিং এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার পাঁচবছরের মধ্যে ৬০ হাজার ৯১৮টি কমিটির মাধ্যমে ১১ লাখ ১৭ হাজার ৮০ জন কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য পুলিশের সঙ্গে একযোগে অংশীদারেত্বের ভিত্তিতে কাজ করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে উল্লেযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ইতিমধ্যে, বাংলাদেশে রেলওয়ে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এবং হাইওয়ে পুলিশেও কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে অপরাধ দমনে আরো একধাপ এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। আগামীতেও নারী নির্যাতন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কমিউনিটি পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে সহজলভ্য প্রযুক্তি অপরাধকে আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক পরিসরে দ্রুত বিস্তৃত করছে। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক এবং স্থানীয় প্রযুক্তি নির্ভর অপরাধ প্রতিরোধ ও অপরাধ উদ্ঘাটনে পুলিশকে উন্নত প্রযুক্তিজ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি জনগণ ও রাষ্ট্রের অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করে সকলের সহায়তায় একযোগে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে সাইবার ক্রাইম, জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমন, মানিলন্ডারিং ইত্যাদি সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম একটি আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে তার সরকার এন্টি টেরোরিজম ইউনিট, সাইবার ইউনিট গঠনসহ সবধরনের সময়োপযোগী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

তিনি আরো বলেন, একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ দেশগড়ার লক্ষ্যে পুলিশের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে জনবল ও বাজেট বৃদ্ধিসহ সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আওয়ামী লীগ সরকারের নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর রয়েছে এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি সম্প্রীতিময়, শোষণমুক্ত, জঙ্গি, মাদক ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত মানবিক দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে পুলিশের সকল সদস্য আরো আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও ৩১ অক্টোবর ‘কমিউনিটি পুলিশিং দিবস-২০২০’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। তিনি এ উপলক্ষ্যে পুলিশের সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি ‘কমিউনিটি পুলিশিং দিবস-২০২০’ এর সকল আয়োজনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।


Saturday, October 31, 2020

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে লিখতে হবে ‘বীর’

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে লিখতে হবে ‘বীর’


মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ শব্দ ব্যবহারের বিধান করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হলে আজ তার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

গেজেটে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০১৮’ এর ধারা ২(১১) এ মুক্তিযোদ্ধাদের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ওই আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবং একাদশ সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।