Thursday, May 5, 2022

দেশে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল

দেশে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল

সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০০ টাকা ছুঁই ছুঁই, কাল থেকেই কার্যকর

দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল। বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফেকচার অ্যাসোসিয়েশন বৃহস্পতিবার দাম বাড়ানোর এই ঘোষণা দেয়। 

এক লাফে অনেকটাই দাম বেড়েছে সয়াবিন তেলের। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮০ টাকা, বোতলজাত সয়াবিন ১৯৮ টাকা ও পাম সুপার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার।

আগামীকাল শুক্রবার থেকেই কার্যকর হবে নতুন দাম। এর আগে সরকারি সিদ্ধান্তে সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ছিল ১৬০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স ও বনস্পতি ম্যানুফাচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। সেই বিবেচনায় বাংলাদেশে তেলের মূল্য সমন্বয় করা হলো। এখন থেকে খোলা সয়াবিন তেল এক লিটার ১৮০ টাকায় বিক্রি হবে। আর ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হবে ৯৮৫ টাকায়।


শেখ রাসেল শিশু পার্কের নিমার্ণ কাজ পরিদর্শনে রাসিক মেয়র

শেখ রাসেল শিশু পার্কের নিমার্ণ কাজ পরিদর্শনে রাসিক মেয়র


 

রাজশাহী মহানগরীর ১৯নং ওয়ার্ডের ছোটবনাগ্রামে চার কোটি ৪২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে শেখ রাসেল শিশু পার্ক। বৃহস্পতিবার দুপুরে পার্কটির নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। এ সময় উন্নয়ন কাজ ঘুরে দেখার পাশাপাশি কাজের অগ্রগতি সহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন সিটি মেয়র।

পরিদর্শনকালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন সহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগে শেখ রাসেল শিশুপার্কের দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়ভাবে সাজাতে ডিজাইন তৈরি করা হয়। সিটি কর্পোরেশনের ডিজাইন অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সেই কাজ বাস্তবায়ন করছে। এটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে চার কোটি ৪২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। শেখ রাসেল শিশুপার্কে উন্নতমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ আধুনিক প্রবেশ গেট, ওয়াটার বডি, দৃষ্টিনন্দন ব্রিজ, মুক্তমঞ্চ, সবুজায়ন, কৃত্রিম টিলা, শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইড, চলাচলের জন্য রাস্তা, পাবলিক টয়লেট নির্মাণ সহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উন্নয়ন কাজ শেষ হলে শেখ রাসেল শিশু পার্কটি হবে শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র।